অসমাপ্ত আত্মজীবনী- শেখ মুজিবুর রহমান

0
28

 অসমাপ্ত আত্মজীবনী pdf file download। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির পিডিএফ আমাদের থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ডাউনলোড করার জন্য  নিচের ডাউনলোড লিঙ্ক এ ক্লিক করে বইটির  পিডিএফ ডাউনলোড করে নিন। 

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী  বইটি সম্পর্কে আরও কিছু 

বইয়ের নামঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী

লেখকঃ শেখ  মুজিবুর রহমান

পাতা সংখ্যাঃ ৩৩০

বিষয়ঃ  আত্মজীবনীমূলক 


                                           

ডাউনলোড


অসমাপ্ত আত্মজীবনী সারসংক্ষেপ

১৯৬৬ সাল- ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত  আমাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেল বন্দী জীবন কাটানোর সময় এই বইটি  লিখেন। 

১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত এবং তার পরবর্তী সময় কালের ঘটনা নিয়ে এই  অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি রচিত। 

পাঠকদের সুবিধার জন্য বইটির প্রথমদিকে যে সকল বিষয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত করে সেগুলো হলো- 

১। লেখক এর জন্ম, গ্রামের বাড়ি,  স্কুল ও শিক্ষাজীবন

২। বংশ পরিচয় এবং তরুণ কালের কিছু ঘটনা 

তার এই জীবনীতে  আরো যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে-

১। দুর্ভিক্ষ,

২।  সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড

৩। বিহার ও কলকাতা দাঙ্গা

৪। কলকাতার মুসলিম লীগ এবং প্রাদেশিক মুসলিম লীগের রাজনীতি

৫। দেশবিভাগের পর থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক কাহিনী

৬। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা

৭। যুক্তফ্রন্ট গঠন এবং নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন

৮।  তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের  বৈষম্যমূলক শাসন ও নিপীড়ন 

এছাড়াও রয়েছে লেখকের ভারত, চীন এবং পশ্চিম পাকিস্তান ভ্রমণের বর্ণনা। 

উপরের এসকল বিষয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি লিখেছেন। 

অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই রিভিউ 

সত্যি কথা বলতে বইটি আমার কাছে বেশ দারুন লিখেছে। বইটির প্রথমদিকে পড়ে এত মজা না লাগলেও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে বইটি পড়ার মজা। বর্তমান সময়ের রাজনীতি দেখলে আমাদের বিরক্ত লাগে। সত্যি কথা বলতে তখনকার রাজনীতি, বিশেষ  করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক জীবনী অতুলনীয়। আমরা অনেকেই রাজনীতি বলতে জানি শুধু টাকা,  কিন্তু না। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করেছেন মানুষের ভালোবাসা দিয়ে, এই বইটি তারই একটি উজ্জ্বল প্রতীক। বিশ্বাস না হলে আপনি বইটি পড়ে একবার দেখতে পারেন। যারা যারা সাইন্স ফিকশন বই পড়েন,  মজার মজার গল্পের বই পড়ে তারা এসব ক্যাটাগরি বইয়ের বাইরে গিয়েও বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি অবশ্যই পড়বেন। এটি শুধু বই নয়,এটি হলো অখন্ড বাংলা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত  রচনার একটি দলিল। 

২০১২ সালের  জুন মাসে দ্যা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে বের হওয়া এ দলিলের পেছনে রয়েছে ২৯ বছর পেছনের এক অসাধারণ গল্প। 

বইটি শুরুতে কি কি রয়েছে তাতো উপরে বলেছি। এই বইটিতে খুঁজে পাওয়া যায় বঙ্গবন্ধুর শৈশবের  মানুষের প্রতি এক অপূর্ব ভালোবাসা। স্কুলে তাদের যারা ভালো খেলতো তাদের বেতন মাফ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন তিনি।  একজন বৃদ্ধাকে  শীতকালে নিজের গায়ের চাদর  দিয়ে দাও, গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের মুষ্টির  ভিক্ষার চাল দিয়ে সাহায্য করা-  আরো কত কি।

দিন যায়,  আস্তে আস্তে সময় যায়। তবুও তিনি সময়ের সাথে নিজেকে ঝালিয়ে নিতে  কখনো ভুলতেন না। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক  সচেতন।  প্রতিদিন পত্রিকা পড়তেন এবং জানতেন রাজনৈতিক ব্যাপার  তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের। স্কুল জীবন শেষে ভর্তি হলেন ইসলামিয়া কলেজে। সেখানে বেকার হোস্টেল হয়ে উঠলো তার রাজনৈতিক ঘর। আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়লেন রাজনীতিতে। তার বাবা তাকে বললেন, “ রাজনীতি কর,  আমি কোন  আপত্তি করব না। কিন্তু পড়ালেখার যাতে ক্ষতি না হয়!” 

সেই সময় বাবার সাথে তার দেখা হলেই চলতো শুধু রাজনৈতিক কথাবার্তা। এবারের পত্রিকায় নতুন খবর আসলো দেশভাগের কথা। লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশদের এ দেশ থেকে তাড়ানো। সে সময় শেখ মুজিব সান্নিধ্যে চলে আসেন পুরোপুরি বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শহীদ সোহরাওয়ার্দীর। 

শহীদ সাহেবের সাথে বঙ্গবন্ধুর কথা কাটাকাটি হয়।  তিনি আনোয়ার সাহেবকে একটা পদ দিতে বলেন। তখন বঙ্গবন্ধু বলল  যে তা কখনোই হতে পারেনা। সে প্রতিষ্ঠানে ভালো কর্মীদের জায়গা দেয় না। তখন শহীদ সাহেব তাকে অপমানের ভঙ্গিতে বলল “তুমি কে?  তুমি কেউ না।”

বঙ্গবন্ধু উত্তরে বললেন, “যদি আমি কেউ না হই,  তাহলে আমাকে কেন এখানে আমন্ত্রণ করেছ?  আমাকে অপমান করার তোমার কোন অধিকার নেই। আমি প্রমাণ করব যে আমি কেউ। ধন্যবাদ জনাব! আমি আর কখনও আপনার কাছে আসব না”

কিন্তু শহীদ সাহেব পরবর্তীতে  বঙ্গবন্ধুকে ডেকে বুঝিয়ে বললে  তখন বঙ্গবন্ধুর রাগ কমে। সামনে ছিল মুসলিম লীগ নির্বাচন। এ নির্বাচনে জয় বলেন শহীদ সাহেব। বঙ্গবন্ধুকে বাঙালির কয়েকটি বিষয় হতাশ করত। তার  স্বীকারোক্তির বিষয়ে আমরা কিছু ধারণা পাই।  তাঁর কথামতো আমাদের বাঙালির দুইটা  দিক আছে।  একটি হল “আমরা মুসলমান” এবং অপরটি  “আমরা বাঙালি”। বিশ্বাসঘাতকতা এবং পরস্ত্রীকাতরতা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে। 

১৯৭৫  সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার এ কথার মর্মার্থ বুঝেছিলেন ভালোমতো।


অবশেষে ভাগ হল দেশ। পূর্ব  পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। শুরু হলো পূর্ব-পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। তারপর ১৯৫২  সালের ভাষা আন্দোলনের কথা,  তার অন্যান্য দেশ ভ্রমণ, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ষড়যন্ত্রের কথা এসবের তিনি আস্তে আস্তে বিবরণ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি পড়তে হলে আমাদের এখান থেকে অসমাপ্ত আত্মজীবনী  পিডিএফ বইটি  ডাউনলোড করে নিন। 


অসমাপ্ত আত্মজীবনী pdf- অসমাপ্ত আত্মজীবনী সংক্ষিপ্ত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here