জলপরানি বই- কিঙ্কর আহসান

0
105

জলপরানি বই pdf download। তরুণ লেখক কিঙ্কর আহসান এর লেখা জলপরানি বইটি খুবই দারুন একটি উপন্যাস। আমাদের এখান থেকে কিঙ্কর আহসান এর লেখা জলপরানি বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। 

জলপরানি বইটি সম্পর্কে আরোও কিছু 

বইয়ের নামঃ জলপরানি

লেখকঃ কিঙ্কর আহসান

ভাষাঃ বাংলা

বিষয়ঃ উপন্যাস  


জলপরানি বই- কিঙ্কর আহসান


জলপরানি বই রিভিউ 

গিটার রেখে জাহান ড্রয়ার থেকে সুই-সিরিঞ্জ বের করে। তারপর প্যাথেডিন এর অ্যাম্পুল ভেঙ্গে তা থেকে তরলটুকু সিরিঞ্জে টেনে নেয়। প্যাথেডিনটি জাহান অনেক কষ্টে এবং যত্ন আগলে রেখেছিল। তারপর বাম পায়ের হাঁটুর নিচের অংশে শিরার মধ্যে ইনজেকশন পুশ করে দেয়। এবার অবশ্যই কমবে ব্যাথা ও অস্থিরতা। জাহানের রক্তে ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা প্যাথেডিন এর তরলটুকু মিশে যেতেই তার চোখে ঘুম ঘুম ভাব চলে আসে। শরীরটা ঘামতে থাকে। ভাত খাওয়ার পর যখন হাতে দরকারি লেগেছে শুকিয়ে যায়, তখন সেই জায়গাটা মনে হয় কড়কড়ে হয়ে গেছে। ঠিক তেমনি প্যাথেডিন শরীরে প্রবেশ করলে শরীরে কেমন জানি কড়কড়ে ভাব পাওয়া যায়। জাহানের কাছে প্যাথেডিন ও বার্বিচুরেটর্স খুব বেশি পছন্দের। কারন এতে দুশ্চিন্তা চলে গিয়ে চোখে ঘুম চলে আসে। আর এ জন্য সে এটি বেশি পছন্দ করে। শরীরে একটা অন্যরকম আনন্দ আনন্দ ভাব চলে আসে। 

জাহান ঘুমানোর সময় মায়ের কথা ভাবতে না চাইলেও বার বার চোখের সামনে তার মায়ের চেহারা ভেসে উঠে। কি মায়াবী! তার মায়ের এ মুখ যেন ভোলা যায় না। ঘুমাবার জন্য জাহান নিজের সাথে লড়াই শুরু করে। চোখ বন্ধ করে সবকিছু না ভাবতে চায়। তবুও জালিয়াপাড়া গানটা তার চোখের সামনে ভেসে উঠে। মনে পড়ে সেই গ্রামের কথা। মনে পড়ে সেই স্কুলের ফুটবল খেলার মাঠের কথা। বন্ধু কৌশিক বলে, “বল পাস দে, তাড়াতাড়ি বল পাস দে!” বল নিয়ে গোলের উদ্দেশ্যে গোলপোস্টের দিকে দৌড়াতে থাকে জাহান। যখনই সে গোলপোস্টের দিকে যায় তখনই কেউ একজন তাকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয় এবং সে পড়ে গিয়ে ব্যথা পায়। তারপর চারদিক অন্ধকার হয়ে যায়। তারপর আবার চোখ খুলে দেখে চারদিকে আলো। এসব পুরোনো দিনের কথা তার মনে পড়ে যায় ঘুমোবার সময়। এইগুলো সে ভুলে থাকতে চাই। লেখক কিঙ্কর আহসান এর বইটি সত্যিই দারুণ। বইটি পড়ার কিছু সময় নিজের জীবনের পুরনো স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here