হাত কাটা রবিন- মুহম্মদ জাফর ইকবাল। PDF বাংলা বই ডাউনলোড

0
33

হাত কাটা রবিন pdfলেখক জাফর ইকবালের লেখা হাত কাটা রবিন বইটির পিডিএফ আমাদের থেকে সহজে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এটি একটি কিশোর উপন্যাস। অত্যন্ত দারুণ একটি বই এবং বইটিতে অনেক রোমাঞ্চকর কাহিনী রয়েছে। Hat Kata Robin pdf

 

বইটি সম্পর্কে আরও কিছু

বইয়ের নামঃ হাত কাটা রবিন

বইয়ের লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল 

ভাষাঃ বাংলা

পিডিএফ সাইজঃ ৮ এমবি 

বিষয়ঃ কিশোর উপন্যাস ও অ্যাডভেঞ্চার 

পাতা সংখ্যাঃ ৭৮

হাত কাটা রবিন-  মুহম্মদ জাফর ইকবাল

হাত কাটা রবিন-  মুহম্মদ জাফর ইকবাল


হাত কাটা রবিন বই রিভিউ

হাত কাটা রবিন বইটি লেখক জাফর ইকবাল এর লেখা কিশোর উপন্যাস। এটি অ্যাডভেন্সার জতীয় গল্প বটেও। ৪ জন বালকের ডাকাত দল ধরার অপূর্ব একটি কাহিনী। গল্পের মূল চরিত্রেরর অধিকরী হলো রবিন যার একটি হাত কাটা ছিল। সে ছিল অত্যন্ত সাহসী বালক। 

গল্পের প্রথম দিকে বেশি মজা ও উত্তেজনা না থাকলেও আস্তে আস্তে গল্পটি পড়ার মধ্য দিয়ে বাড়তে থাকে টান টান উত্তেজনা। গল্পটি পড়ার জন্য হাত কাটা রবিন pdf বইটি ডাউনলোড করে ফেলুন।


হাত কাটা রবিন বইটি কয়েকটি লাইন 

অনেকক্ষণ পার হয়ে গেল। চোখে আর ঘুম আসছে না।মান্টু দের বাসা থেকে গোলমাল এর আওয়াজও শোনা যাচ্ছে না। ঘড়ির টিকটিক শব্দ শুনতে শুনতে ভাবতে লাগলাম এখন ওরা চৌরাস্তায় পৌঁছেছে — একটু পরে স্কুল পার হয়ে নদীর ঘাটে পৌঁছে যাবে। আমি কল্পনা করতে লাগলাম ওরা অন্ধকারে গুড়িয মেরে হেটে যাচ্ছে, নৌকায় উঠছে , সবকিছু ঠিকঠাক নিয়ে টেলিস্কোপে ডাকাতদের নৌকাটাকে লক্ষ করছে অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করছে কখন ওটা ছাড়বে। রবিন গালিগালাজ করছে, টিপু তার স্বভাবসুলভ শান্ত ভঙ্গিতেমাঝে মাঝে রবিনের কথায় উত্তর দিচ্ছে। এক সময় নৌকা ছেড়ে দিল। অন্ধকার রাতআকাশে মিটমিট করছে তারাঠান্ডা বাতাস  হিল হিল করে বইছেছপাৎ ছপাৎ করে  মিশু আর হীরা দাঁড় টানছে। অন্ধকারে আবছাভাবে তীরের গাছপালা জঙ্গল দেখা যাচ্ছে। বিষম যন্ত্রনা আমার বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো।  আমি উঠে বসলাম আর তখনই কিছু না ভেবে চিন্তে হঠাৎ ঠিক করে ফেললাম আমি ওদের সাথে যাব। যেভাবেই হোক। এতক্ষণে নিশ্চয়ই রওনা দিয়ে দেইনি, ডাকাতের নৌকাটা কখন ছাড়বে ঠিক কি? আর ছেড়ে যদি দেয় আমি নদীর তীরে তীরে দৌড়িয়ে ঠিক ধরে ফেলব। আমি একটু চিন্তা করে নিলাম তারপর খুব আস্তে আস্তে উঠে কাজ শুরু করলাম।

চৌকির নিচে ক্যানভাসের খালি ব্যাগটা পেয়ে গেলাম। বালিশের নিচে ছিল সোয়েটারটা– সেটা পড়ে ফেললাম। অন্ধকারে হাতরে হাতরে গরম প্যান্টটা বের করতে অনেক সময় লাগলো। খাকি হাফপ্যান্ট টা খুজে বের করতে অনেক সময় নষ্ট হল।  আলো থাকলে কি সহজেই সবকিছু পাওয়া যায়। হকি সু গুলিও  পরে ফেললাম মোজা ছাড়াই। ওগুলি  এই অন্ধকারে কে খুঁজে বের করবে? এখন দরকার একটা অস্ত্র চাকু বা ওই জাতীয় কিছুকিছু টাকাএকটা টর্চ লাইটএকটা কম্বল আর ওষুধগুলি। ওষুধের শিশি গুলো বের করার জন্য যে টেবিলে হাত দিয়েছি অমনি মিকচারের শিশিটা ঠক করে টেবিলে পড়ে গেল। আমি  আতকে  সিউড়ে উঠলাম, এখন নিশ্চয়ই কেউ না কেউ ঘুম থেকে উঠে যাবে। হল তাই! পাশের ঘর থেকে জিজ্ঞেস করলেন কে

আমি এক মুহুর্ত দ্বিধা করে বললাম, আমি আব্বা। 

, কি করিস

পানি খাব। এটা বলেই খুট করে লাইট জ্বালালাম, অন্ধকারে পানি খাওয়া স্বাভাবিক নয়। আমার কপালে  তখন বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠেছে-  আত্মা যদি একবার উঠে আসেন শার্ট প্যান্ট জুতা পরা অবস্থায় দেখলে কিছু বুঝতে বাকি থাকবেনা। ভাগ্য ভালো আব্বা উঠলেন না। আমি শব্দ করে পানি খেলামআর  আলোতে সবকিছু দেখতে পেরে  মোজা জোরা খুঁজে বের করে পকেটে ঢুকিয়ে ফেললাম।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here